নজরুল ইসলাম সাহেব, আমি জেলে যেতে চাই

📅 April 11, 2026 👁️ 260 views 💬 Opinion
নজরুল ইসলাম সাহেব, আমি জেলে যেতে চাই
ইউরোপিয়ান আওয়ামীলীগের সভাপতি নজরুল ইসলাম সম্প্রতি ফেসবুক ও পত্রিকায় তার সমালোচনাকারীদের প্রতি বিদ্রুপ, শ্লাঘা ও বিভিন্ন মামলা হামলার হুমকি দিয়েছেন। অত্যন্ত যুক্তি সঙ্গত ভাবে তিনি অথবা তার পরিবার কোনো ধরণের হামলার বিষয় উপলব্ধি করলে বা নিজেকে অথবা নিজেদের নিরাপত্তা নিয়ে সংশয় প্রকাশ করলে তিনি আইনের আশ্রয় নিতেই পারেন। কিছু কাল আগে জননেত্রী শেখ হাসিনা স্পেন সফরে আসলে তিনি সেখানে বডিগার্ড নিয়ে চলাফেরাও করেছেন অর্থাৎ তিনি নিজের নিরাপত্তা নিয়ে শংকিত ছিলেন। যদিও তার নিরাপত্তা বিঘ্নিত হওয়ার মতো কোনো পারিপার্শ্বিক উপকরণ ছিল না বা কেউ ওনাকে হুমকিও প্রদান করেননি।

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ও বিভিন্ন অন-লাইন সংবাদ মাধ্যম ঘেটে জানা গেলো ওনার সমালোচনাকারীদের প্রায় সবাই-ই আওয়ামীলীগের কর্মী। এই কর্মীদের মধ্যে অনেকেই বর্ষীয়ান পোড় খাওয়া আওয়ামীলীগের রাজনীতিবিদ। এদের অনেকের হাত ধরেই ইউরোপের বিভিন্ন দেশে আওয়ামীলীগ প্রতিষ্ঠিত হয়েছে এবং জানা গেলো নজরুল ইসলাম কে ঘিরে তাদের এই সমালোচনা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমেই সীমাবদ্ধ।

প্রশ্ন হচ্ছে কেন নজরুল ইসলাম এরকম সমালোচনার সম্মুখীন হচ্ছেন? তিনি এমন কি-বা করলেন যে আওয়ামীলীগের কর্মীরা তার পিছু নিয়েছে?

বিগত কয়েক মাস ধরে ইউরোপিয়ান আওয়ামী লীগের সভাপতি নজরুল ইসলামের দলীয় কর্মকান্ড পর্যালোচনা করলে দেখা যায় যে তিনি বিভিন্ন দেশে আওয়ামীলীগের সেসব কমিটি অনুমোদন দিয়েছেন সেখানে তিনি বিএনপি জামায়াতের লোকজনদেরকে দলে ঠাঁই দিয়েছেন এই সংক্রান্ত সকল তথ্য ও প্রমান আমাদের কাছে রয়েছে।

ওনার এই অপকর্ম থেকে আয়ারল্যান্ড আওয়ামীলীগের আহ্বায়ক কমিটিও বাদ যায়নি। বিএনপি জামায়েত নিয়ে গঠিত আয়ারল্যান্ড আওয়ামীলীগের আহ্বায়ক কমিটি মেয়াদউত্তীর্ণ হয়ে গেলেও তিনি আওয়ামীলীগের গঠনতন্ত্রকে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়ে, নিজের দেওয়া প্রতিশ্রুতি ভঙ্গ করে অসৎ উদ্দেশ্য সম্পাদনে তা ক্রিয়াশীল রেখেছেন।

ঠিক এই ধরণের বা এর থেকেও অনেক গুরুতর অপকর্ম তিনি ইউরোপের বিভিন্ন দেশে করেছেন, এসব করতে গিয়ে তিনি দুর্নীতির আশ্রয় নিয়েছেন আর এইসব কারণেই তিনি প্রকৃত আওয়ামীলীগের কর্মীদের কাছে ক্ষোভের কারণ হয়ে উঠছেন।
← Back to Opinion